1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : গোলাম সরোয়ার মেহেদী : গোলাম সরোয়ার মেহেদী বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  4. [email protected] : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  6. [email protected] : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  7. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গাভী যেভাবে জন্ম দিবে জমজ বাছুর সালথায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন এডিসি মোহাম্মদ সাইফুল কবির সালথা উপজেলায় নবাগত এসিল্যান্ডের যোগদান আলফাডাঙ্গা বুলবুলের পক্ষ থেকে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহয়তা প্রদান ধর্ম যার যার উৎসব সবার, সালথায় বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন কালে-লাবু চৌধুরী অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়তে হবে- প্রতিমন্ত্রী পলক নোয়াখালীর চাটখিলে ভূয়া সিআইডি নেওয়াজ আল সামীর আটক চাঁদপুরের মেঘনার চরে জেলেদের হামলায় নারী এএসপিসহ ১২ পুলিশ আহত মানিকছড়ির পূজামন্ডপগুলোতে প্রশাসনের নজরদারি এইচ.আর.আর.এস ; সোনাগাজী উপজেলা প্রতিবন্ধী সংস্থা’র অফিস উদ্বোধন

৭৪ শতাংশ অভিবাসী কর্মী থাকেন মানসিক চাপে : ব্র্যাক

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

৭৪ শতাংশ অভিবাসী কর্মী থাকেন মানসিক চাপে : ব্র্যাক


৭৪ শতাংশ অভিবাসী কর্মী থাকেন মানসিক চাপে : ব্র্যাক

মানসিক স্বাস্থের উন্নয়নে প্রচারণা
৭৪ শতাংশ অভিবাসী কর্মী থাকেন মানসিক চাপে : ব্র্যাক
নিজস্ব প্রতিবেদক
করোনা সংকটকালে ৫৫৮ জন বিদেশফেরত অভিবাসীর ওপর করা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের এক জরিপে দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ প্রবাসী প্রচণ্ড দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও ভীতির মধ্যে রয়েছেন। অভিবাসীদের এই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং মানসিক চাপ দূর করতে হলে তাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি বলে জানিয়েছে ব্র্যাক। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় সংস্থাটি।
এতে বলা হয়, আজ ১০ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য: মানসিক স্বাস্থ্যে অধিক বিনিয়োগ, অধিকতর সেবার সুযোগ।’ শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও যে সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং অভিবাসীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা যে আলাদা গুরুত্বের দাবি রাখে, সে বিষয়ে জনসচেতনা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালন করেছে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যসেবাও অব্যাহত আছে।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানায়, এরই অংশ হিসেবে দেশের অভিবাসনপ্রবণ ১২টি জেলায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ১৫ জন প্রশিক্ষিত মনোসামাজিক কাউন্সেলর কর্তৃক মানসিক স্বাস্থ্যসেবা-বিষয়ক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে। এ ক্যাম্পেইনে কাউন্সেলরা বিদেশফেরত অভিবাসীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদান করেছেন। পাশাপাশি কারও যদি ব্যক্তিগত কাউন্সেলিংয়ের দরকার হয় তাহলে তাকে বিনামূলে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা-বিষয়ক বিভিন্ন স্লোগানসম্বলিত পোস্টার-প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমেও সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়।
মানসিক স্বাস্থের উন্নয়নে ব্র্যাকের প্রচারণাদিবসটি উপলক্ষে প্রবাসীদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে সবাইকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ‘সাধারণ মানুষজন শারীরিক সুস্থতার দিকে নজর দিলেও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি একেবারেই উপেক্ষিত থাকে। বিশেষ করে অভিবাসীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি আরও উপেক্ষিত। ফলে তারা বিচ্ছিন্ন বোধ করেন। নানা সংকটে থাকেন। করোনার এই সংকটকালে বিদেশফেরত লোকজনের সঙ্গে কথা বলে আমরা দেখেছি তাদের অধিকাংশই মানসিক দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।‌ ফলে বিদেশফেরতদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা উচিত। এটি পরবর্তী সময়ে তাদের ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করে।’
বিদেশফেরত অভিবাসীদের জন্য ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, গত তিন বছরে আমরা অন্তত দুই হাজার মানুষকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছি। আর করোনার এ দুঃসময়ের মধ্যেই অন্তত তিন হাজার বিদেশফেরত অভিবাসী আমাদের টেলি-কাউন্সেলিং সেবা পেয়েছেন। এই কাজটি করতে গিয়ে আমরা দেখেছি যে, একজন বিদেশফেরত অভিবাসীর জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কতোটা জরুরি।

নিজস্ব প্রতিবেদক
করোনা সংকটকালে ৫৫৮ জন বিদেশফেরত অভিবাসীর ওপর করা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের এক জরিপে দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ প্রবাসী প্রচণ্ড দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও ভীতির মধ্যে রয়েছেন। অভিবাসীদের এই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং মানসিক চাপ দূর করতে হলে তাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি বলে জানিয়েছে ব্র্যাক। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, আজ ১০ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য: মানসিক স্বাস্থ্যে অধিক বিনিয়োগ, অধিকতর সেবার সুযোগ।’ শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও যে সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং অভিবাসীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা যে আলাদা গুরুত্বের দাবি রাখে, সে বিষয়ে জনসচেতনা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালন করেছে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যসেবাও অব্যাহত আছে।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানায়, এরই অংশ হিসেবে দেশের অভিবাসনপ্রবণ ১২টি জেলায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ১৫ জন প্রশিক্ষিত মনোসামাজিক কাউন্সেলর কর্তৃক মানসিক স্বাস্থ্যসেবা-বিষয়ক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে। এ ক্যাম্পেইনে কাউন্সেলরা বিদেশফেরত অভিবাসীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদান করেছেন। পাশাপাশি কারও যদি ব্যক্তিগত কাউন্সেলিংয়ের দরকার হয় তাহলে তাকে বিনামূলে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা-বিষয়ক বিভিন্ন স্লোগানসম্বলিত পোস্টার-প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমেও সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়।

মানসিক স্বাস্থের উন্নয়নে ব্র্যাকের প্রচারণাদিবসটি উপলক্ষে প্রবাসীদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে সবাইকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ‘সাধারণ মানুষজন শারীরিক সুস্থতার দিকে নজর দিলেও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি একেবারেই উপেক্ষিত থাকে। বিশেষ করে অভিবাসীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি আরও উপেক্ষিত। ফলে তারা বিচ্ছিন্ন বোধ করেন। নানা সংকটে থাকেন। করোনার এই সংকটকালে বিদেশফেরত লোকজনের সঙ্গে কথা বলে আমরা দেখেছি তাদের অধিকাংশই মানসিক দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।‌ ফলে বিদেশফেরতদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা উচিত। এটি পরবর্তী সময়ে তাদের ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করে।’

বিদেশফেরত অভিবাসীদের জন্য ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, গত তিন বছরে আমরা অন্তত দুই হাজার মানুষকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছি। আর করোনার এ দুঃসময়ের মধ্যেই অন্তত তিন হাজার বিদেশফেরত অভিবাসী আমাদের টেলি-কাউন্সেলিং সেবা পেয়েছেন। এই কাজটি করতে গিয়ে আমরা দেখেছি যে, একজন বিদেশফেরত অভিবাসীর জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কতোটা জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক শিরোমনি