1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : গোলাম সরোয়ার মেহেদী : গোলাম সরোয়ার মেহেদী বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  4. [email protected] : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  6. [email protected] : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  7. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

শসা চাষে ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

শসা চাষে ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক
মাগুরায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শসা চাষ। চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলায় ৫০ হেক্টর জমিতে শসার চাষ হয়েছে। পানির ওপর মাচায় হলুদ-সাদা ফুল কিংবা থরে থরে ঝুলছে শসা। এমন দৃশ্যই দেখা যায় মাগুরার বিভিন্ন মাঠ ও খেত খামারে। এবার শসার আবাদও ভালো হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো। এতে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। শসার বীজ রোপণের ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল ধরা শুরু হয়।

বিঘাপ্রতি খরচ হয় ১০ হাজার আর বিক্রি হয় ২০ হাজার টাকায়। লাভ বেশি হওয়ায় শসার চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।

সদর উপজেলার ট্যাংগাখালী মাঠ ঘুরে দেখা যায়, শসার পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পাইকারদের কাছে শসা বিক্রি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন অনেক কৃষক। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারদের কাছে প্রতি মণ শসা ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা বিক্রি করছেন তারা।

শসা চাষি পারভেজ বলেন, এ মৌসুমে দুই একর জমিতে শসার আবাদ করেছেন, যাতে খরচ হয়েছে ৮০ হাজার টাকা। এতে বিক্রি হবে ২ লাখ টাকার বেশি। এবার আবহাওয়া ভালো। বাজারে শসার ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।

গোমকোট গ্রামের শসা চাষি কামাল হোসেন বলেন, প্রায় দেড় একর জমিতে শসার আবাদ করেন তিনি। প্রথমবার অধিক বৃষ্টির ফলে অনেক গাছ মারা যায়। পরে আবার গাছ লাগাই। এখন ভালো অবস্থায় রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে শসা বিক্রি শুরু করব। কিন্তু কৃষি অফিসার বা তাদের অফিস থেকে কোনো সুযোগ পাইনি।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, এ মৌসুমে মাগুরা জেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ করা হয়।

আবহাওয়া ভালো থাকায় বাজারে শসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভালো দামও পাচ্ছেন তারা। এছাড়া কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের মধ্যে প্রয়োজনীয় বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান এ কৃষি কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক শিরোমনি