1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : গোলাম সরোয়ার মেহেদী : গোলাম সরোয়ার মেহেদী বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  4. [email protected] : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  6. [email protected] : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  7. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

ফাস্ট ফুড আমাদের যে ক্ষতি করছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
ফাস্ট ফুড খেতে প্রায় সবাই খুব পছন্দ করেন। কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি এই ফুড কতটা ক্ষতি করছে আমাদের? ফাস্ট ফুড শুধু আমাদের হজম শক্তিই নষ্ট করে না, আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও দুর্বল করে দেয়।

যে কারণে ফাস্ট ফুড আসক্তি তৈরি হয়
মূলত ফাস্ট ফুড তৈরিতে প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট, চিনি, লবণ ও আজিনোমোটো নামের এক ধরণের উপাদান ব্যবহার করা হয়। এ কারণে ফাস্ট ফুড খাওয়ার পর মাদকাসক্তির মতোই আমাদের মস্তিষ্ক ফাসটফুডে আসক্ত হয়ে পড়ে। অতি মাত্রায় ফাস্ট ফুড খেলে শরীরে তৃপ্তি সৃষ্টিকারী হরমোন ডোপাইন নির্গত হয়। এর ফলে বারবার ফাস্ট ফুড খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয় আমাদের মাঝে।

ফাস্ট ফুডে অস্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার করা হয়
অনেক ফাস্ট ফুড প্রস্তুতকারী রেস্টুরেন্ট টিবিএইচকিউ নামের একটি কেমিক্যাল প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করে। আমেরিকার দ্য ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন জানিয়েছে টিবিএইচকিউ মানুষের দৃষ্টিশক্তির ব্যাঘাত ঘটায়।

এছাড়া গবেষণাগারে প্রাণীদের উপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে এই উপাদান সেসব প্রাণীর লিভারের ক্ষতি করে, নিউরোটক্সিক ইফেক্ট তৈরি করে। এমনকি প্রাণীর প্যারালাইসিসের জন্যও দায়ী উপাদানটি। আরেক দল গবেষক বলছেন এই উপাদান মানব দেহে প্রবেশের পর বমি ও মাথা ঘোরানো এমনকি মানুষের মৃত্যুর জন্যও দায়ী! এছাড়া ফাস্টফুডের ড্রেসিং ও সসে ডাইমিথাইলপলিসিলোক্সেন নামের একটি উপাদান ব্যবহার করে অনেক রেস্টুরেন্ট, যাতে প্রতিবার সার্ভের সময় কয়েকশ ক্যালোরি, অতিমাত্রায় অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও সোডিয়াম শরীরে প্রবেশ করে।

শিশুদের জন্য সবচয়ে ক্ষতিকর
আমেরিকার সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন জানিয়েছে, গত ৩০-৪০ বছরে শিশুদের মাঝে মোটা হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দ্বিগুণ হয়েছে এবং কিশোরদের মাঝে হয়েছে তিনগুণ। আর এর জন্য দায়ী বিভিন্ন ধরনের ফাস্ট ফুড।
বিশেষজ্ঞরা কী বলেন?

ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফাস্টফুডের কৃত্রিম ও ক্ষতিকর উপাদান শরীরে অক্সিডাইড রেডিক্যাল ছড়িয়ে দেয়, এতে করে শরীর মোটা হয়ে যায়। এই অবস্থা ধীরে ধীরে খারাপ হয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া জাংক ফুড খাওয়ার কারণে কোলেস্টেরল বাড়ে, যা ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশনে ভোগা রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে রক্তনালীতে ব্লকও তৈরি হতে পারে।
তাহলে উপায় কী?

গবেষক ও পুষ্টিবিদরা বলছেন খাদ্যাভ্যাসে অবশ্যই পরিবর্তন আনা জরুরি। সেক্ষেত্রে বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়ে ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে সবজি, মাছ, বাদাম, খাদ্যশস্য এসব বেশি খেতে হবে।

এম এ হালিম

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক শিরোমনি