1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : গোলাম সরোয়ার মেহেদী : গোলাম সরোয়ার মেহেদী বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  4. [email protected] : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  6. [email protected] : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  7. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২২ অপরাহ্ন

নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির : স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির : স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা

মোকলেছুর রহমান, সিলেট : সিলেটের বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। ৫০ টাকার নিচে মিলছে না কোন সবজিই। কাঁচা মরিচের ঝালও বেশি। পেঁয়াজের বাজারেও স্বস্থি নেই। আর চালের বাজারও চড়া। সবমিলিয়ে নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্থিতে নেই ক্রেতারা। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের লোকজনই পড়েছেন বেশি বিপাকে। রোববার নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে ৫০ টাকা কেজির নিচে সবজি নেই বললেই চলে। সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে। কাঁচা মরিচ কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। যেখানে গত সপ্তাহে দাম ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। একই ভাবে বাজারের বিভিন্ন ধরনের সবজি থাকলেও সবধরনের সবজির দামই বেশি।
বাজারে নতুন আসা ফুলকপি ৬০ টাকা, করলা ১০০ টাকা কেজি, ঝিঙা ৭০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, শিম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ডেড়শ ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, আলু ৪৫ টাকা, জলপাই ৫০ টাকা কেজি; লাউ প্রতিপিস ৭০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক হালি কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। কাঁকরোল, ধুন্দুলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। তবে ১০ থেকে ৩০ টাকায় এক হালি লেবু এবং ২০ টাকা করে প্রতি আটি লালশাক, পুঁইশাক, লাউয়ের ডগাসহ বিভিন্ন প্রকারের শাক পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, কোয়েল পাখি পিসপ্রতি ২৫ থেকে ৫০ টাকা, লেয়ার মুরগি পিসপ্রতি ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মুরগির ডিম হালিপ্রতি ৩৮ থেকে ৪২ টাকা দরে মিলছে। অবশ্য দেশি মুরগির ডিম কিনতে প্রতি হালিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। আর হাসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়।
এদিকে স্বস্তি মিলছে না পেঁয়াজের দামেও। দেশি পেঁয়জের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়। আমদানি করা বড় আকারের ভারতীয় পেঁয়াজের কেজির জন্যেও গুনতে হচ্ছে ৮০ টাকা। গত মাসে ভারত রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই এমন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। সবজির দাম এমন বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে আম্বরখানা বাজারের বিক্রেতা আলাউদ্দিন বলেন, বন্যার কারণে সবজি কম আসছে। ফলে পাইকারি বাজারে দাম বেশি। তাই তার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। তবে শিতকালীন সবজি বাজারে এলে দাম কিছুটা কমবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল আছে মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে। তবে প্রায় সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধানের দাম বাড়ায় চালের দাম বেড়েছে। বাজার স্থিতিশীল করতে হলে চাল আমদানি প্রয়োজন। এজন্য অন্তত আমন ধান আসার আগ-পর্যন্ত চাল আমদানির ওপর জোর দিলে বাজার স্থিতিশীল হবে বলেও মন্তব্য তাদের।

        ভাঙাচোরা সড়কে দুর্ভোগ নগরবাসীর

এদিকে আরেক খবরে প্রতিনিধি জানান, সিলেট নগরের প্রায় প্রতিটি সড়কই এখনই ভাঙাচোরা। চলাচলের অনুপোযোগি হয়ে পড়েছে এসব সড়ক। সড়কগুলো সংস্কার ও সম্প্রসারণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ চললেও তা যেনো কিছুতেই শেষ হচ্ছে না। যেনো অনন্তকাল ধরে চলছে সিলেট নগরের সড়কের সংস্কার কাজ। ফলে নগরবাসীর দুর্ভোগও দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। ভাঙাচোড়া সড়কের সাথে যুক্ত হয়েছে খোড়াখুড়ি আর সংস্কার কাজের উৎপাত। সড়কের পাশে ফেলে রাখা রয়েছে মাটি, বালু, পাথর। এসব কারণে বেড়েছে যানজট। বেড়েছে দুর্ভোগও। সিলেট নগরের প্রধানতম সড়ক জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা সড়ক। এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার কাজ চলছে। প্রথমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরে সড়ক সম্প্রসারণের পর এখন চলছে বিদ্যুৎ লাইন ভূগর্ভস্থ করার কাজ। এই কাজেও দীর্ঘসূত্রিতা দেখা গেছে। ফলে সড়কটি প্রায় চলাচলের অনুপোযোগি হয়ে পড়েছে। এই সড়কে দিনভর লেগে থাকে দীর্ঘ যানজট। একই অবস্থা নগরের চৌহাট্টা-আম্বরখানা ইলেকট্রিক সাপ্লাই সড়ক, মিরের ময়দান (বøু বার্ড স্কুলের সামনে থেকে)- সুবিদবাজার সড়ক, আম্বরখানা-মদিনা মার্কেট সড়ক, জিন্দাবাজার-জেল রোড-টিলাগড় সড়ক, কুমারপাড়া-নাইরপুল সড়ক, নয়াসড়ক-কাজিটুলা সড়কসহ নগরীর বেশিরভাগ সড়কেরই। প্রায় দুই বছর আগে এসব সড়কের সংস্কার ও সম্প্রসারণ কাজ শুরু হয়। অনেক সড়কের অর্ধেক সংস্কার কাজের পর ফেলে রাখা হয়েছে। ফলে প্রায় দ্ইু বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কারের বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশেনর মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, করোনা ও অতিবৃষ্টির কারণে সড়ক সংস্কারে কিছুটা বিল¤¦ হয়েছে। এসব কারণে দীর্ঘদিন কাজ করা যায়নি। এখন দ্রæতগতিতে সব সড়কের কাজ চলছে। আশা করছি শীঘ্রই সংস্কার কাজ শেষ হবে। কাজ শেষ হলে নগরী নতুন রূপ পাবে।
জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে এই সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের কাজ শুরু হয। সম্প্রসারণ করে একমুখী সড়ককে ডাবল লেন করা হয়। তবে সম্প্রসারণ হলেও সংস্কার হয়নি সড়কের। বরং সম্প্রসারেণ কাজের কারণে একেবারে চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে এই সড়ক। সন্ধ্যায় নগরীর জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা সড়কে এসে দেখা যায় দীর্ঘ যানজট। রিকশা-অটোরিকশায় একেবারে জট পাকিয়ে আছে। এই সড়ক খুঁড়ে মািটির নিচ দিয়ে বিদ্যুৎলাইন নেওয়া হচ্ছে। সড়কের খুঁড়ে তোলা মাটি ও নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা হয়েছে সড়কের উপর। নগরের ধোপাদীঘিরপাড়, সোবহানীঘাট, কুমারপাড়া, ইলেকট্রিক সাপ্লাই,শাহী ঈদগাহ, পাঠানটুলা, আম্বরখানা, চৌহাট্টা, জেলরোড, জিন্দাবাজার, বন্দরসহ অনেকগুলো সড়ক ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে।
জানা যায়, সিলেটে ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিলো ২০১৮ সালে। জিন্দাজার-চৌহাট্টা সড়কের বিদ্যুৎ লাইন ভূগর্ভস্থ করার কাজও শেষ হয় চলতি বছরের শুরুতে। এ ব্যাপারে ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পল্লবী জামান বলেন, মাটির নিচ দিয়ে বিদ্যুতের একটি বিকল্প লাইন টানার কারণে কাজটি দীর্ঘ হচ্ছে। দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে কাজটি করা হচ্ছে। তবে শীঘ্রই এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। খানাখন্দে ভরা নগরের ভাঙাচোরা সড়কের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন পথচারী, যানবাহন চালক ও যাত্রীরা। এসব সড়কে যানবাহন চালাতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয় চালকদের। সড়কের এই বেহাল দশার কারণে নগরের বিভিন্ন এলাকায় রিশকা, সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন চালকরা। সিএনজি অটোরিকশা চালক শামছু মিয়া বলেন, নগরীর কোনো সড়কে গাড়ি চালিয়ে শান্তি পাওয়া যায় না। প্রায় সব সড়কেই কমবেশি ভাঙা। এই ভাঙা সড়কের কারণে যানবাহন চালকদের বেশি ক্ষতি হয়। গাড়ি বেশি নষ্ট হয়। তাছাড়া যাত্রীদেরও অনেক দুর্ভোগ হয়। সড়কে গর্তের কারণে আচমকা ঝাঁকির কারণে অনেক সময় যাত্রীদের সাথেও ঝগড়ার সৃষ্টি হয়।

       সিলেটে ২৭৫৫ মন্ডপে দুর্গোৎসব

              নিরাপত্তা ছক চূড়ান্ত

অপর এক খবরে প্রতিনিধি জানান, আর মাত্র কয়েকদিন পরই শুরু হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। যদিও এবারের পূজার আবহ অন্যবারের মতো নয়। করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার ভিন্ন ধাঁচে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বিরা। এদিকে দুর্গোৎসবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ছক চূড়ান্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মন্ডপের সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি মাঠে থাকাবে পুলিশ কর্মকর্তারা। আর যারা মন্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন তাদেরকে তদারকি করবেন পুলিশের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। পূজা উদযাপন পরিষদসহ মন্ডপের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছে থানা পুলিশের পাশাপাশি সিলেট মহানগর পুলিশ। মহানগর পুলিশ মন্ডপের পরিচালনা কমিটিকে নিরাপত্তার স্বার্তে কয়েকটি শর্তও বেঁধে দিয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) জ্যোর্তিময় সরকার বলেন, সিলেট মহানগরী এলাকায় যতগুলো পূজা মন্ডপ রয়েছে সবগুলোর তালিকা করে পুলিশ ইতোমধ্যে নিরপত্তার ছক চূড়ান্ত করেছে। মন্ডপে সাদা পোষাকের পুলিশের পাশাপাশি পোশাকধারী পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।
এছাড়াও মাঠে কাজ করবে গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম। কেউ কোন বিশৃঙ্খলার চেষ্টা চালালে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। জানা যায়, এবার সিলেট বিভাগে পারিবারিক, বারোয়ারি ও সার্বজনীন পূজামন্ডপ (স্থায়ী ও অস্থায়ী) ২৭৫৫ টি। পুরো বিভাগে গত বছর থেকে এবার ৯০টি বেশী। আর বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পূজা মৌলভীবাজার জেলায় ১০৮৩টি। এ বছর সিলেট জেলায় ৫৮৪টি মন্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। যা গত বছর থেকে ৩৫টি পূজা কম।
সিলেট মহানগর এলাকায় মোট ৬৪টি পূজার আয়োজন করেছেন পূজারীরা। এর মধ্যে সার্বজনীন পূজা ৪৯টি ও পারিবারিক পূজা ১৫টি। সিলেট সদর উপজেলায় সার্বজনীন পূজা ৫৭টি। দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় ২১টি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে সার্বজনীন পূজা ২০টি ও পারিবারিক পূজা ১টি। গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ৫৮টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। যা গত বছর থেকে ৪টি কম। এর মধ্যে সার্বজনীন পূজা ৫৫টি ও পারিবারিক পূজা ৩টি। বালাগঞ্জ উপজেলায় ২৯টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
এর মধ্যে সার্বজনীন পূজা ২৮টি ও পারিবারিক পূজা ১টি। যা গত বছর থেকে ২টি কম। কানাইঘাট উপজেলায় সার্বজনীন পূজা ৩৫টি। জৈন্তাপুর উপজেলায় সার্বজনীন পূজা ২২টি। বিশ্বনাথ উপজেলায় সার্বজনীন পূজা ২৬টি। এর মধ্যে সার্বজনীন পূজা ২২টি ও পারিবারিক পূজা ৪টি। গোয়াইনঘাট উপজেলায় এবার ৩৯টি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত বছর থেকে ১টি বেশী। জকিগঞ্জ উপজেলায় জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এ উপজেলায় এবার সার্বজনীন পূজা ৮৪টি। গত বছর থেকে ৯টি কম।বিয়ানীবাজার উপজেলায় ৫১টি মন্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত বছর থেকে ৪টি কম। এর মধ্যে সার্বজনীন পূজা ৩৮টি ও পারিবারিক পূজা ১৩টি। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ২৮টি মন্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ৩৭টি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। আর ওসমানীনগর উপজেলায় ৩৩টি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত বছর থেকে ১টি বেশী। মৌলভীবাজার জেলায় ১০৮৩টি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। গতবছর থেকে এবার ৮৭টি পূজা বেশী। সুনামগঞ্জে এবার ৪১২টি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। গতবছর থেকে ৬টি পূজা বেশী। গত বছর পূজা ছিল ৪০৬টি। হবিগঞ্জে এবার ৬৭৬টি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত বছর থেকে ২১টি পূজা বেশী। গত বছর পূজা ছিল ৬৫৫টি।বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা জানান, এবছর সরকার ঘোষিত স্বাস্থবিধি মেনে শারদীয় উৎসব সুষ্ঠু সুন্দর ও সফল করতে হবে। এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন । সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার বৈঠকে ৩৮টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্তের মধ্যে নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ভলন্টিয়ার রাখা, আলোক সজ্জা করা যাবে না, সাউন্ড সিস্টেম ও মাইক বাজানো চলবে না, বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, প্রসাদ উন্মুক্ত রাখা যাবে না, আরতির পর মন্দিরে দর্শনার্থীদের আসতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত নগরীর পূজাগুলো সরকারি নির্দেশনা, সামাজিক দূরত্ব মেনে সুষ্ঠু, ও সুন্দরভাবে সম্পাদনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক শিরোমনি